উদ্দীপকের রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের সাহিত্যকর্মের টিকে যাওয়ার দিকটির সঙ্গে 'সোনার তরী' কবিতার অন্তর্ভাবনার মিল রয়েছে।
'সোনার তরী' কবিতায় নিঃসঙ্গ কৃষকের জীবনের পরিণতির মধ্য দিয়ে ব্যক্তিমানুষের অনিবার্য পরিণতিকে নির্দেশ করেছেন কবি। কবিতার ছোটো খেতের মতোই মানুষের কর্মক্ষেত্র এই পৃথিবী। এখানে সারা জীবন মানুষকে কাজের পিছনে ছুটতে হয় এবং এ কাজই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে; ব্যক্তিমানুষ নয়। আলোচ্য কবিতায় সোনার তরী বহমান সময়ের প্রতীক, যেখানে শুধু মানুষের কর্মফলস্বরূপ সোনার ধানই টিকে থাকে, ব্যক্তিমানুষ নয়।
উদ্দীপকে নারী জাগরণের অগ্রদূত রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের কথা বলা হয়েছে। সমাজ সংস্কারের উদ্দেশ্যে কলম ধরেছিলেন তিনি। বাঙালি মুসলিম নারীদের অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে তাঁর লেখা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিশ্লেষণধর্মী এই লেখাই তাঁকে সমাজসচেতন সাহিত্যিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। রোকেয়া আজ বেঁচে নেই, কিন্তু আমরা তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য আজও তাঁকে স্মরণ করি। এ কৃতকর্মকেই আলোচ্য কবিতায় সোনার ধান বলে অভিহিত করা হয়েছে এবং এটিই কালের প্রবাহে টিকে থাকে। উদ্দীপকের রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের কৃতকর্ম হিসেবে তাঁর সাহিত্যকর্ম টিকে যাওয়ার এই প্রসঙ্গটিই আলোচ্য কবিতার সঙ্গে এর মিল নির্দেশ করে।
Related Question
View Allচিকনাই শব্দের অর্থ কী
ব্যান্জনার্থে
উত্তর চাই
একজন কৃষক দ্বীপসদৃশ ধানখেতে তার সােনার ফসল নিয়ে অপেক্ষা করছে। ঘন বর্ষা আর তীব্র সােতের কারণে তীরে যাওয়ারও কোনাে ভরসা নেই— এ কথা বােঝাতেই উক্তিটি করা হয়েছে। ‘সােনার তরী’ কবিতায় কবির জীবনদর্শন চিত্রায়িত হয়েছে।
কবিতায় একজন কৃষক তার ধান নিয়ে ক্ষুরের মতাে ধারালাে বর্ষার স্রোতে ঘেরা দ্বীপসদৃশ ধানখেতে নানা আশঙ্কা নিয়ে অপেক্ষা করছে। সে সেখানে নিঃসঙ্গ, কারও কোনাে দেখা নেই। আকাশে ঘন ঘন মেঘ গর্জন করছে। এমন বৈরী পরিবেশে কৃষকরূপী কবি নিজের নিঃসঙ্গতা ও ভরসাহীনতাকে বােঝাতে গিয়ে কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা’ কথাটি বলেছেন। সারকথা : প্রশ্নোক্ত লাইনের মধ্য দিয়ে বৈরী পরিবেশে নিঃসঙ্গ এক কৃষকের ভরসাহীন অবস্থার কথা প্রকাশ পেয়েছে।
'কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা'—কবির এমন অনুভূতির কারণ কী?
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!